ক’রোনা নিরাময়ে ১৪ দিন পরই আসছে সুখবর!

ক’রোনা নিরাময়ে ১৪ দিন পরই আসছে সুখবর!

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রলয় সৃষ্টি করেছে আণুবীক্ষণিক জীব নভেল করো’নাভাইরাস। গুঁ’ড়িয়ে দিচ্ছে মানবজাতির সভ্যতা ও বিজ্ঞানের দম্ভ।

কোন ওষুধ নেই, প্র’তিষেধক নেই। শুধুই মৃ’ত্যুর অপেক্ষা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা উঠেপড়ে লেগেছেন একটা ওষুধ বা ভ্যাকসিন তৈরিতে।

তবে এখনও কেউ সফলতার মুখ দেখেননি।কিন্তু এবার যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির ন্যাশভিলের মেহারি

মেডিকেল কলেজের একজন কৃষ্ণাঙ্গ বি’জ্ঞানী দা’বি করেছেন, তিনি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি অ্যান্টি-ভা’ইরাল ড্রাগ তৈরি করে ফেলবেন

যা কভিড-১৯ প্র’তিরোধ করতে পারবে।করোনার ভ্যা’কসিন আ’বিষ্কারের দাবি করা বিজ্ঞানী

ড. ডোনাল্ড অ্যালেন্ডার কয়েক বছর আগে জিকা ভাইরাসের সফল অ্যান্টি-ভা’ইরাস নিয়ে কাজ করেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ভা’ইরাসটি কিভাবে আপনার শরীরে প্রবেশ করে, এটি কোথায় যায় এবং এটি কীভাবে সংক্রামিত হয় সেটা আমি বুঝে ফেলেছি।

এখন শুধু ওষুধ তৈরির অপেক্ষা। আশা করি আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে আমি এটা তৈরি করে ফে’লবো।

অ্যা’ন্টিভাইরাল ড্রাগের বিকাশ স’ম্পর্কে বলেছিল, তার লক্ষ্য আগামী দুই স’প্তাহের মধ্যে অ্যান্টি-ভাইরাল ভ্যা’কসিন তৈরি করা।

তারপরে এটি ক্লি’নিক্যাল ট্রা’য়ালগুলিতে পাঠানো হবে এবং যদি সফল হয়, তবে কয়েক মাসের মধ্যে ফুড

অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (এফডিএ) অ’নুমোদনের জন্য আবেদন জানানো হবে।জিকা

ভা’ইরাসের অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগের সা’ফল্য তাকে আশাবাদী করে তোলে।

তিনি নিশ্চিত যে, তার কাজটি কভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যুর হারকে ব্যা’পকভাবে ক’মিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারবে।

একটি ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে ১৮ মাস সময় লাগবে, তবে আ’ক্রান্ত রো’গী’দের চি’কিৎসার জন্য একটি অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ মাত্র একবারই ব্যবহার করা হবে।মেহারির উন্নয়ন সিনিয়র সহযোগী সহ-সভাপতি ড. লিন্ডা উইট বলেন, আমাদের এখন প্রথম সারিতে কাজের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। মেহেরিয়ানদের জন্য, আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এটা গর্বের।

আমদের ব্ল্যাক সাইন্টিস্ট সম্প্রদায় বলে অভিহিত হরা হয়। তবে এটি এখন উচ্চতর স্তরে। আমাদের আবিষ্কার ও গবেষণাকর্ম তুলে ধরার জন্য আরো দক্ষতা থাকা জরুরি।মেহারি মেডিকেল কলেজের সভাপতি ডা. জেমস হিলড্রেথ কয়েক সপ্তাহ ধরে কৃষ্ণাঙ্গ পাড়াগুলিতে প্রাক-শিক্ষামূলক স্ক্রি’নিংয়ের জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন। সংক্রামক রোগের বিজ্ঞানী হওয়ার কারণে হিলড্রেথ জানতেন যে, ডা’য়াবেটিস, উ’চ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি এবং আফ্রিকান আমেরিকান সম্প্রদায়ের মধ্যে প্র’চলিত অন্যান্য সমস্যাগুলির মতো বিদ্যমান স্বাস্থ্যের অবস্থাগুলি সংক্রামক করোনভাইরাসটি জন্য সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক।

হিলড্রেথ আরও বলেন, আমি স্বাস্থ্য ক’র্মকর্তাদের কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের মধ্যে পরীক্ষা নিরীক্ষণের জন্য প্রি-ইম্পেরটিভ স্ক্রিনিংয়ের দিকে জোর দিচ্ছি, কারণ এটি সবচেয়ে ঝুঁ’কিপূর্ণ জনসাধারণের সামনে আসার উপায় হবে। আপনার যদি পূর্ব-বিদ্যমান অটো-ইমিউন ডিজিজ এবং অন্যান্য বর্ণিত স্বাস্থ্য সং’ক্রান্ত সমস্যা থাকে তবে ফলাফলগুলি আরও মারাত্মক হয়। আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে সেগুলো বিদ্যমান, এবং রোগের বোঝা অনেক বেশি। সূত্র- ব্ল্যাক এন্টারপ্রাইজ।পাঠকের মতামত:

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *