প্রাথমিকের ১৮ হাজার শিক্ষকের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিকের ১৮ হাজার শিক্ষকের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিকের ১৮ হাজার শিক্ষকের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারি শিক্ষকের নিয়োগ আদেশ জারির নিদের্শনাবলী প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ নিদের্শনাবলী জারি করা হয়। নির্দেশনাবলীতে উল্লেখ করা হয়, ১২ হতে ২০ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থীদের পরিচিতি প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট ডুকুমেন্ট যাচাই এবং ২০ হতে ২৫ জানুয়ারি নিয়োগপত্র জারি এবং রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ করা হবে।
২০ হতে ২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের অনুকূলে কোনো নিয়োগপত্র জারি না হলে অধিদপ্তরকে অবহিতকরণ এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে। ১৭ হতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ওরিয়েন্টশেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারির কথা বলা হয়েছে আদেশে।
তবে নওগাঁ ও ভোলা জেলায় আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। বাকি সব জেলায় ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্তভাবে পাস করা প্রার্থীদের যোগদান ও পদায়নের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে মোট ১৮ হাজার ১৪৭ জন জন পাস করেছেন। গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারাদেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়।

প্রাথমিকের ১৮ হাজার শিক্ষকের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারি শিক্ষকের নিয়োগ আদেশ জারির নিদের্শনাবলী প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ নিদের্শনাবলী জারি করা হয়। নির্দেশনাবলীতে উল্লেখ করা হয়, ১২ হতে ২০ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থীদের পরিচিতি প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট ডুকুমেন্ট যাচাই এবং ২০ হতে ২৫ জানুয়ারি নিয়োগপত্র জারি এবং রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ করা হবে।
২০ হতে ২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের অনুকূলে কোনো নিয়োগপত্র জারি না হলে অধিদপ্তরকে অবহিতকরণ এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে। ১৭ হতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ওরিয়েন্টশেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারির কথা বলা হয়েছে আদেশে।
তবে নওগাঁ ও ভোলা জেলায় আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। বাকি সব জেলায় ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্তভাবে পাস করা প্রার্থীদের যোগদান ও পদায়নের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে মোট ১৮ হাজার ১৪৭ জন জন পাস করেছেন। গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারাদেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়।

প্রাথমিকের ১৮ হাজার শিক্ষকের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারি শিক্ষকের নিয়োগ আদেশ জারির নিদের্শনাবলী প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ নিদের্শনাবলী জারি করা হয়। নির্দেশনাবলীতে উল্লেখ করা হয়, ১২ হতে ২০ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থীদের পরিচিতি প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট ডুকুমেন্ট যাচাই এবং ২০ হতে ২৫ জানুয়ারি নিয়োগপত্র জারি এবং রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ করা হবে।
২০ হতে ২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের অনুকূলে কোনো নিয়োগপত্র জারি না হলে অধিদপ্তরকে অবহিতকরণ এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে। ১৭ হতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ওরিয়েন্টশেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারির কথা বলা হয়েছে আদেশে।
তবে নওগাঁ ও ভোলা জেলায় আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। বাকি সব জেলায় ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্তভাবে পাস করা প্রার্থীদের যোগদান ও পদায়নের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে মোট ১৮ হাজার ১৪৭ জন জন পাস করেছেন। গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারাদেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়।

 

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *