avoid-corona

avoid-corona

Coronaviruses are zoonotic, meaning they are transmitted between animals and people.  Detailed investigations found that SARS-CoV was transmitted from civet cats to humans and MERS-CoV from dromedary camels to humans. Several known coronaviruses are circulating in animals that have not yet infected humans.

Common signs of infection include respiratory symptoms, fever, cough, shortness of breath and breathing difficulties. In more severe cases, infection can cause pneumonia, severe acute respiratory syndrome, kidney failure and even death.

করোনার সময়ে মাছ-মাংস খাওয়া

বাংলাদেশে ২০ জনের শরীরে পাওয়া গেছে করোনাভাইরাস। থাকতে হবে সবাইকে বিশেষ সতর্ক। মাছ-মাংস খাওয়ার ব্যাপারে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলেছেন বারডেম হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো। লিখেছেন নাবীল আল জাহান

হাঁস-মুরগি বা গরু-ছাগল—যেটার মাংসই কেনা হোক না কেন, পশুটা নীরোগ ছিল কি না যাচাই করে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আমাদের দেশে এটা যাচাই করা বেশ মুশকিলের ব্যাপার। তার পরও যতটা পারা যায় করতে হবে।

রান্নার আগে মাছ-মাংস খুব ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার হোটেলে এমনকি অনেক সময় বাসাবাড়িতেও গৃহকর্মীরা তাড়াহুড়া করে মাছ-মাংস ধোয়। সেটা কোনোভাবেই করা যাবে না। প্রয়োজনে তাদের বারবার বোঝাতে হবে। আর মাছ এমনিতেও যত বেশি সম্ভব ধোয়া উচিত।

মাছ-মাংস রান্না করতে হবে ভালোমতো সিদ্ধ করে। বাসার খাবারে এ নিয়ে খুব একটা শঙ্কা নেই। তবে বাইরে খেতে গেলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অনেক হোটেল-রেস্টুরেন্টেই বাবুর্চিরা তাড়াতাড়ি রান্না করতে গিয়ে ভালো মতো সিদ্ধ করে না। বিশেষভাবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন চিকেন ফ্রাই, চিকেন তন্দুরি, গ্রিলড চিকেন—মুরগির এ ধরনের পদগুলোর ক্ষেত্রে। প্রায়ই দেখা যায় এগুলোর ওপরের অংশ ঠিক থাকলেও ভেতরে মাংস ঠিকমতো সিদ্ধ হয় না। অনেক সময় এমনকি কাঁচাই থেকে যায়। এমন ক্ষেত্রে সেগুলো না খাওয়াই উত্তম।

সাধারণত বাসাবাড়িতে মাছ-মাংস একটু বেশি করেই রান্না করা হয়। সেগুলো ফ্রিজে একসঙ্গে না রেখে ছোট ছোট বাটিতে আলাদাভাবে রাখুন, যাতে এক বাটির খাবার দিনে দিনেই শেষ হয়। আর ফ্রিজ থেকে বের করে খাওয়ার আগে সেগুলো খুব ভালো করে গরম করতে হবে। যেন খাবারের প্রতিটি কণা তাপ পায়। কারণ ফ্রিজে ঠাণ্ডায় খাবার গন্ধ বা নষ্ট না হলেও জীবাণু ঠিকই যুক্ত হয়। বাজার থেকে সাধারণত দু-এক দিনের নয়, একবারে কয়েক দিনের জন্য মাছ-মাংস কেনা হয়। সেগুলো কেটে-ধুয়ে প্যাকেট করে রেখে দেওয়া হয় ফ্রিজে। এই কাঁচা মাছ-মাংস ফ্রিজ থেকে বের করেই রান্না করা যাবে না। বিশেষ করে মাংস। রান্নার অন্ততপক্ষে দুই-তিন ঘণ্টা আগে বের করতে হবে। পানিতে ভিজিয়ে রেখে নরম করে নিতে হবে। পুরোটুকু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় যেমন নরম থাকে তেমন হয়ে এলে রান্না করতে হবে। নইলে ঠাণ্ডায় মাছ-মাংসে যে জীবাণু যুক্ত হয়, সেগুলো থেকে যাবে।

পাশাপাশি সতর্ক নজর রাখতে হবে যে রান্না করবে তার ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার ওপর। তার হাত-পা থেকে শুরু করে পোশাক-আশাক হতে হবে পরিষ্কার। সেটা ঘরের মানুষ, গৃহকর্মী বা হোটেলের বাবুর্চি—যে-ই হোক না কেন। হাঁচি-কাশি এলে রান্নাঘরের বাইরে এসে দিতে হবে।

খাওয়ার বেশিক্ষণ আগে খাবার পরিবেশন করা যাবে না। রান্নার পর খাবার ঢাকনা দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে রাখতে হবে। হোটেল-রেস্টুরেন্টে প্রায়ই এর ব্যতিক্রম দেখা যায়। খাবার খোলা অবস্থায় রাখা হয় ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য। আবার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে-আয়োজনেও খাবার দীর্ঘক্ষণ ধরে খোলা অবস্থায় রাখা হয়।

বাবুর্চি, তার সহকারী ও পরিবেশনকর্মীরা খাবারের কাছাকাছি থাকেন। এতে খাবারে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। হঠাত্ করে কাছে থাকা কারো হাঁচি-কাশি আসতেই পারে। তখন জীবাণু সরাসরি খাবারে মিশে যায়।

কেবল করোনাভাইরাসের জন্য নয়, সতর্কতা মেনে চলা উচিত সব সময়ই। তাতে করোনার মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে তো বটেই, মুক্ত থাকা যাবে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা জীবাণুবাহিত রোগ থেকে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *